আঘাত, খোলা ক্ষত, অপারেশন বা রক্তের মাধ্যমে জীবাণু হাড় বা জোড়ায় পৌঁছে সংক্রমণ ঘটাতে পারে। শিশু ও ডায়াবেটিস রোগীদের ঝুঁকি বেশি। দ্রুত চিকিৎসা না হলে সংক্রমণ দীর্ঘমেয়াদি হতে পারে।
সাধারণ উপসর্গ
- হাড়ের ওপর ব্যথা, ফোলা, লাল ও গরম ভাব
- জ্বর ও দুর্বলতা
- ক্ষত দিয়ে পুঁজ বের হওয়া বা ক্ষত না শুকানো
কখন ডাক্তার দেখাবেন
- ব্যথা ও ফোলার সঙ্গে জ্বর থাকলে দ্রুত
- অপারেশন বা প্লাস্টারের পর ক্ষতে পুঁজ, দুর্গন্ধ বা ব্যথা বাড়লে
- শিশু হঠাৎ হাত বা পা নাড়াতে না চাইলে এবং জ্বর থাকলে দেরি না করে
যেভাবে মূল্যায়ন করা হয়
- শারীরিক পরীক্ষা ও রক্ত পরীক্ষা
- এক্স-রে, প্রয়োজনে এমআরআই বা পুঁজের পরীক্ষা
- অ্যান্টিবায়োটিক এবং প্রয়োজনে অপারেশন করে সংক্রমিত অংশ পরিষ্কার করা
জরুরি অবস্থা: গুরুতর দুর্ঘটনা, হাড় বেঁকে যাওয়া বা ভেঙে যাওয়ার সন্দেহ, প্রচুর রক্তপাত, অবশ ভাব বা নড়াচড়া করতে না পারলে দেরি না করে নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যান।